• তোমার হাতের লিখনমালা

    কত স্মৃতি বিস্মরণের ঘূর্ণিতে তলিয়ে গেছে! কত স্মৃতি পুরানো বাড়ির মতো—ভঙ্গুর দশা, হাড়-পাঁজর বেরনো, ধূলিমলিন। আবার অনেক স্মৃতি তুতেনখামেনের মমির মতো আজও স্বর্ণোজ্জ্বল! সেগুলোর সবটুকু মনে আছে। মনে থাকে। আসলে নতুন স্মৃতিকে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিস্মরণের প্রবাহ খুব স্বাভাবিক। তা না হলে মানুষ স্মৃতিকাতরতার আবর্তে পড়ে যাবে। তখন স্মৃতিই হয়ে উঠবে মানসিক সমস্যা৷

  • বাংলা সাহিত্যের একটি ব্যতিক্রমী সাময়িক পত্র উদ্বোধন

    ১ মাঘ ১৩০৫ বঙ্গাব্দে ত্রিগুণাতীতানন্দজীর (১৮৬৫–১৯১৫) সম্পাদনায় উদ্বোধন প্রকাশিত হয়। পত্রিকার প্রথম পাতার প্রচ্ছদপটে পত্রিকার পরিচিতি জ্ঞাপন করে উল্লেখ করা হয়েছিল—‘ধর্ম্মনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি, দর্শন, বিজ্ঞান, কৃষি, শিল্প, সাহিত্য, ইতিহাস, ভ্রমণ প্রভৃতি বিষয়ক বাঙ্গালা পাক্ষিক-পত্র ও সমালোচন৷’

  • উদ্বোধন: স্মৃতিতে ও মননে

    উদ্বোধন সম্পর্কে প্রথম যে-স্মৃতির কথা মনে পড়ে, তা হলো একটি লেখা—বইটির বাইরে গেরুয়া রঙের প্রচ্ছদপট, তাতে বাগবাজারের ‘শ্রীশ্রীমায়ের বাড়ী’র ছবি ছাপা আর সেই লেখাটির কয়েকটি লাইনের সারমর্ম—“যিনি বারবার ভূপতিত হয়েও আবার উঠে দাঁড়াতে পারেন, তিনিই ঠিকঠিক ধার্মিক।” তারপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এবং বহু স্মৃতি মুছে গেলেও এই কথাটি কিছুতেই ভোলা সম্ভব হয়নি৷

  • উদ্বোধন পত্রিকার লক্ষ্য

    ১৯৮০ সালে আমি উদ্বোধন পত্রিকায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। তখন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন পূজনীয় স্বামী ধ্যানানন্দ আর অধ্যক্ষ ছিলেন পূজনীয় স্বামী হিরণ্ময়ানন্দ। আমি তখন ব্রহ্মচারী। স্বামী হিরণ্ময়ানন্দকে দেখতাম খুব পড়াশোনা করতে। তিনি ভাল লেখক ছিলেন।

  • কালের অভিযাত্রায় উদ্বোধন

    উদ্বোধন-এ থাকার সময় একটি চিঠি এল। লিখেছেন এক প্রবাসী। আদি বাড়ি তাঁদের কলকাতায়। মধ্যবয়সি মানুষ। তাঁর বাবার সদ্য মৃত্যু হয়েছে। শ্রাদ্ধাদি ক্রিয়াকর্মের তাগিদে দিন কয়েকের জন্য আসা। বাবা ছিলেন উদ্বোধন পত্রিকার পোকা। বাবার ধর্মীয় বইপত্র বিশেষত উদ্বোধন পড়ার তীব্র অনুরাগকে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত ছেলে চিরদিন ‘বাতিক’ বলে মনে করতেন। বাবার ঘর গোছাতে গোছাতে উদ্বোধন-এর বহু সংখ্যা একত্রিত করছেন পুরানো কাগজপত্রের সঙ্গে বেচে দেবেন বলে।

  • শতবর্ষের আলোয় ‘উদ্বোধন’

    শ্রীরামকৃষ্ণ সকলের কল্যাণের জন্য জগৎকে যে আধ্যাত্মিক ভাব দিয়েছিলেন তাকে দৃঢ়ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং সর্বসাধারণের মধ্যে বিতরণ করতে স্বামীজীর চেষ্টার অন্ত ছিল না। তিনি জানতেন, শিকাগোর ধর্মমহাসভায় তাঁর আবির্ভাব এবং ভারত-প্রত্যাবর্তনের সূত্রে যে ভাবান্দোলনের তরঙ্গ উঠেছে, তার প্রাবল্য বেশিদিন মানুষের মনে স্থায়ী হবে না। তাকে চিরজাগ্রত রাখতে হলে একটি প্রবল মাধ্যম প্রয়োজন, যার ভিতরে সেই শাশ্বত ভাব ও ভাষা ‘বহুজনহিতায় বহুজনসুখায়’ জীবন্ত হয়ে উঠবে এবং মানব-মনে আনবে চিরশান্তির চেতনা।

  • উদ্বোধনের নববর্ষ—৭৫তম বর্ষ

    শ্রীভগবানের কৃপায় ‘উদ্বোধন’ এবার, ১৩৭৯ সালের ১লা মাঘ নববর্ষে—৭৫তম বর্ষে পদার্পণ করিল। ভারতাত্মার প্রাণবাণীর যুগোপযোগী রূপ—নবযুগের ‘উদ্বোধনী’ প্রাণধারা—রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ-ভাবগঙ্গা হৃদয়ে ধারণ করিয়া স্বামী বিবেকানন্দ-প্রবর্তিত এই পত্রিকাখানি প্রথম আত্মপ্রকাশ করিয়াছিল ১৩০৫ সালের ১লা মাঘ, ১৮৯৯ খৃষ্টাব্দের ১৪ই জানুআরি।

  • প্রাণবন্ত উদ্বোধন

    সেই ঘটনা তো বহুবার আলোচিত হয়েছে। পূর্ববঙ্গের এক ভক্ত সুরেন্দ্রনাথ রায় শ্রীশ্রীমাকে চিঠিতে লিখেছিলেন তাঁর অসুস্থতার কথা। শেষনিঃশ্বাস ত্যাগের আগে একটিবার শ্রীশ্রীমায়ের দর্শনাকাঙ্ক্ষী তিনি। শ্রীশ্রীমা নিজের একটি ফটো এবং একবছরের বাঁধাই করা উদ্বোধন পাঠিয়ে দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, ভয় নেই, অসুখ সেরে যাবে। সুরেন্দ্রবাবু যেন ফটোখানি দেখেন ও উদ্বোধন পাঠ করেন।

  • উদ্বোধন-এর পুণ্য স্মৃতির ধন্য দিনগুলি

    ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর কৃপায় আমার অশেষ সৌভাগ্য হয়েছিল— খুব কম বয়সে উদ্বোধন পত্রিকা সম্পাদনার কাজে যুক্ত হতে পেরেছিলাম। প্রথম থেকেই আমার এবিষয়ে ভয় ছিল; কারণ তখন আমার বয়স কম—মাত্র ছত্রিশ, অভিজ্ঞতাও কম।

  • ‘উদ্বোধনে’র সুবর্ণ জয়ন্তী

    বর্তমান মাঘ মাসে ‘উদ্বোধন’ পঞ্চাশ বৎসরে পদার্পণ করিল। এই উপলক্ষে ইহার সচিত্র সুবর্ণ জয়ন্তী সংখ্যা প্রকাশিত হইল। মহাসমন্বয়াচার্য শ্রীরামকৃষ্ণদেবের অনুষ্ঠিত ও প্রচারিত ভাবাদর্শে ভারতের সর্বাঙ্গীণ অভ্যুদয় সাধনের উদ্দেশ্যে সকল নরনারীকে উদ্বুদ্ধ করিবার জন্য আচার্য স্বামী বিবেকানন্দ ‘উদ্বোধন’ প্রবর্তন করেন। এই কারণে ইহার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে সর্বাগ্রে আমরা এই নব-যুগপ্রবর্তক আচার্যদ্বয়ের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করিতেছি এবং যে সকল দেশ-প্রসিদ্ধ মনীষীর সুচিন্তিত রচনা-সম্ভারে সমৃদ্ধ করিয়া এই সংখ্যা প্রকাশ করা সম্ভব হইল, তাঁহাদিগকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাইতেছি। আশা করি, ইহা সহৃদয় পাঠক-পাঠিকাগণের মনোরঞ্জন বিধান করিতে সমর্থ হইবে।

  • কথা-প্রসঙ্গে

    শ্রীভগবানের কৃপায় ও তাঁহার আশীর্ব্বাদ মস্তকে ধারণ করিয়া, আজ নূতন মাঘে উদ্বোধন তাহার পঞ্চবিংশতি বর্ষে পদার্পণ করিল। নবীন বর্ষে সে তাহার পাঠক-পাঠিকার নিকট শুভেচ্ছা ও ভাবের আদান প্রদান প্রার্থী।

  • উদ্বোধন-এর ‘প্রস্তাবনা’র গুরুত্ব ও আগামীর অভিমুখ

    ১৮৯৯ সালের ১৪ জানুয়ারি, ১ মাঘ ১৩০৫ বঙ্গাব্দ, শনিবার স্বামী বিবেকানন্দের স্বপ্ন-সম্ভূত উদ্বোধন প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

  • শ্রীশ্রীমায়ের সান্নিধ্যে চিকিৎসকবৃন্দ

    আলোচ্য গ্রন্থের লেখিকা ইতিপূর্বে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের চিকিৎসকদের সম্পর্কে মনোজ্ঞ গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।

  • লিটিল ম্যাগাজিনের নতুন মুখ

    বাংলা লিটিল ম্যাগাজিনের চর্চায় নতুন পত্রিকার আনাগোনা লেগেই থাকে। তার মধ্যে কিছু পত্রিকা প্রথম থেকেই ব্যতিক্রমী হয়ে ওঠে। ‘কলকাতা ২১’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যা দেখলে তেমনটাই মনে হয়।

  • প্রেমিক শ্রীরামকৃষ্ণ

    ডঃ সব্যসাচী লোধের অনেকদিনের গবেষণা ও বহু পরিশ্রমের সুফল আলোচ্য পুস্তকটি। মোট এগারোটি অধ্যায়ে বিভক্ত বইটিতে বিভিন্ন আঙ্গিকে আলোচিত হয়েছে প্রেমময় শ্রীরামকৃষ্ণের ভালবাসার দিকগুলি।

  • মহামানবের অমর কীর্তি

    বিবেকানন্দের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ বেলুড় মঠ স্থাপনের পরিকল্পনা ও প্রতিষ্ঠা। লেখক এই ভাবনাকেই মাথায় রেখে স্বামীজীর একাধিক চিঠি উদ্ধৃত করে সজীবভাবে উপস্থাপিত করেছেন। অভিনব এই বইয়ের নাম ও অধ্যায়বিন্যাস।

  • মগজের চিন্তাবীজ

    বাঙালির চিন্তা-চেতনার জগতে শিবনারায়ণ রায় (১৯২১—২০০৮) প্রতিষ্ঠিত ‘জিজ্ঞাসা’ পত্রিকার ভূমিকা অনন্য। তিনি নিজে এই পত্রিকা দীর্ঘ বাইশ বছর (১৯৮০—২০০২) সম্পাদনা করেছেন।

  • যবনিকার অন্তরালে

    প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব দেবনারায়ণ গুপ্তের উইংস-এর আড়ালে গ্রন্থখানি পড়লেই বোঝা যায়, নাট্যজগতের অন্য অনেকের মতোই তিনিও শ্রীরামকৃষ্ণ-ভক্ত, তাই প্রথমেই তাঁকে স্মরণ করেছেন—ঠাকুরের সাথে গিরিশের ছোট্ট একটি সা‌ক্ষাৎকার দিয়ে।

  • পত্র-পত্রিকায় রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

    ইতিহাস অনুসারে বাংলা সংবাদ-সাময়িকপত্রের সূচনা হয়েছে উনিশ শতকের একেবারে গোড়ার দিকে। তবে তার আগে হিকি সাহেবের হাত ধরে বাংলা থেকে ভারতবর্ষের প্রথম সংবাদপত্র ‘বেঙ্গল গেজেট’ (২৯ জানুয়ারি ১৭৮০) ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল।

  • উঠ আদি জগত-জন-পূজ্যা

    গুণাতীতা আদ্যাশক্তি গুণময়ী হয়ে সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের লীলায় বিশ্ব-চরাচরকে নিয়মিত করেন।

  • বেদনার বালুচরে অতুলপ্রসাদের জীবন ও সৃজনধারা

    বাংলা গীতিকাব্যের জগতে অতুলপ্রসাদ সেনের নাম স্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর জীবনের অনেকটা সময় বাংলার পরিমণ্ডলের বাইরে অতিবাহিত হলেও তাঁর সংগীত ও কবিতা রচনায় কোনো ছেদ পড়েনি। তিনি নিরলসভাবে তাঁর সৃজনশীলতাকে জাগরূক রেখে একদিকে যেমন বাংলা গীতিকাব্যকে সমৃদ্ধ করেছেন, তেমনি অন্যদিকে অশেষ মাধুর্য দান করেছেন।

  • অতুলপ্রসাদের জীবন-গান

    পূর্ববঙ্গের (অধুনা বাংলাদেশ) ঢাকাস্থ ফরিদপুরের কবিরাজ কৃষ্ণচন্দ্র সেনের কনিষ্ঠ পুত্র রামপ্রসাদ কলকাতার মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করে ডাক্তারিতে মেতে যান স্বভূমিতে। পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হলেন ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র-দী‌ক্ষিত ভাব-কবি কালীনারায়ণ গুপ্তের কন্যা হেমন্তশশীর সঙ্গে। তাঁদের প্রথম সন্তান এবং একমাত্র পুত্র অতুলপ্রসাদের জন্ম ২০ অক্টোবর ১৮৭১।

  • খোলা হাওয়া

    রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় এলাহাবাদ থেকে ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য পত্র ‘প্রবাসী’।

  • মন ও মনন

    ‘অনুষ্টুপ’ বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতিতে বরাবরই ভিন্ন পথের পথিক। ছাপান্ন বর্ষের তৃতীয় সংখ্যাটিও (গ্রীষ্ম সংখ্যা ২০২২) তার ব্যতিক্রম নয়।

  • ভ্রমণ-পিপাসুদের জন্য

    এই বইয়ের প্রথম প্রবন্ধ ‘স্বামীজির স্বপ্নের মায়াবতী’ পাঠকদের আনন্দ দেবে। মায়াবতী আশ্রম গড়ে ওঠার ইতিহাস

  • সংগতি-অসংগতির আলেখ্য

    লেখক প্রথমেই তাঁর উদ্দেশ্য নিবেদন করেছেন এইভাবে—‘সমাজ ও শি‌ক্ষা-সংক্রান্ত অসঙ্গতি যা চোখে পড়েছে’ সেটাই

  • শ্রীরামকৃষ্ণের আলোকে স্বামী বিবেকানন্দ

    গ্রন্থটি মোট ছয়টি অধ্যায়ে বিভক্ত। অধ্যাত্মজগতের প্রতি নরেন্দ্রনাথের আকর্ষণ বাল্যকাল থেকে হলেও যৌবনে শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্য লাভ করে

  • সমর সেন প্রসঙ্গে

    সমর সেন (১৯১৬—১৯৮৭) রবীন্দ্র-পরবর্তী সময়ের একজন বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক। রবীন্দ্র-সান্নিধ্যে থেকেও রবীন্দ্র-প্রভাব তাঁকে আচ্ছন্ন করতে পারেনি। বাংলা কবিতার পরিসরে সেই সংযোজন নিয়ে আলোচনা হয়েছে, পত্রিকা হয়েছে; এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনিল আচার্য সম্পাদিত ‘অনুষ্টুপ’ পত্রিকার ‘সমর সেন শতবর্ষ বিশেষ সংখ্যা’ (২০১৬)। সেই ধারারই আরেকটি বিশেষ সংযোজন ‘চিলেকোঠা’ পত্রিকার ‘প্রসঙ্গে সমর সেন’ সংখ্যাটি। এপত্রিকার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে—“আমরা চেষ্টা করেছি সমর বাবুকে নিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন নথি, লেখাকে এক জায়গায় আনতে; এ পর্যন্ত তাঁকে নিয়ে যা যা বলা হয়ে ওঠেনি সেই সমস্ত লেখা, তথ্যকে সংগ্রহ করতে।” ছয়শোর বেশি পৃষ্ঠা নিয়ে নির্মিত এই সংখ্যাটিকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে ‘পুনরুদ্ধার’ অংশে রয়েছে পূর্বপ্রকাশিত […]

  • সুরেলা মাধুরী

    সংগীতের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য তার রয়েছে সর্বজনীন ভাষা।

  • কাব্যপুষ্পে এক নিবেদন

    ভগিনী নিবেদিতার সার্ধশতবর্ষে তাঁকে স্মরণ করে ইতিমধ্যে নানা ধরনের পুস্তক ও স্মরণিকা প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির প্রকাশিত

  • সাধক-কবি কমলাকান্তের বিস্মৃতপ্রায় একটি গ্রন্থ

    অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীতে যে-কয়েকজন শাক্ত পদকার শাক্ত গীতিসাহিত্য ও শাক্ত সাধনাকে জনপ্রিয় করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কবি কমলাকান্ত ভট্টাচার্য বিশিষ্টতার আসন লাভ করেছেন।

  • বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কৃষ্ণচরিত্র’ : এক অফুরান যাত্রার ইঙ্গিত

    “যদি মনে এমন বুঝিতে পারেন যে, লিখিয়া দেশের বা মনুষ্যজাতির কিছু মঙ্গলসাধন করিতে পারেন,