• নল-দময়ন্তী কাহিনি

    এদিকে বিদর্ভরাজ ভীম বহু অর্থ দিয়ে দিকে দিকে শত শত ব্রাহ্মণ প্রেরণ করলেন, ঘোষণা করলেন— নল-দময়ন্তীকে সশরীরে আনতে পারলে পুরস্কারস্বরূপ এক হাজার গাভী ও একখানি গ্রাম দান করা হবে।

  • কেনোপনিষৎ

    ‘প্রতিবোধবিদিতম্‌’—প্রত্যেক বোধের সঙ্গে, ইন্দ্রিয়বৃত্তির সঙ্গে জ্ঞাত হয় আত্মতত্ত্ব (প্রত্যেক বুদ্ধিপ্রত্যয়ের সা‌ক্ষিরূপে)—এই হলো ‘মতম্‌’, এই হলো আমাদের অভিপ্রেত সিদ্ধান্ত।

  • রামলালার তুলসী

    দ্বিপ্রহরের খর রৌদ্রে চারিপাশ যেন তৃষ্ণার্ত, পথঘাট প্রায় জনমানবশূন্য, বৃক্ষতলে ছায়াও আজ যেন বড়ই কৃপণ। বৈশাখ মাসে ভারতবর্ষের এই উত্তরপ্রদেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষেই অস্থিচর্মসার বৃদ্ধ মানুষের মুখমণ্ডলের মতো রুক্ষ, শুষ্ক হইয়া ওঠে। জনহীন পথে এক বালক ক্ষুধার তাড়নায় দুয়ারে

  • আলস্য ছাড়ার উপায় এবং কর্মস্পৃহা সম্পর্কে গীতা

    আলস্যবোধ আপাত সুখকর কিন্তু পরিণামে বিড়ম্বনার কারণ। জরুরি কাজ ফেলে রাখার ফলে মনস্তাপে ভুগতে হয়। অনেকেরই এই অভিজ্ঞতা। কিন্তু আলস্যের কারণ কী? দৈহিক স্থূলতা কিংবা বিশ্রামের অভাব বা ক্ষুধা-তৃষ্ণা আলস্যের কারণ হতে পারে।

  • কেনোপনিষৎ

    সংশয়-বিপর্যয়ের ক্ষেত্র ছাড়া একই বস্তু যার দ্বারা জ্ঞাত হয়, আবার তার দ্বারা যদি সেই বস্তু অবিজ্ঞাতও হয়—তাহলে সেটা বিরুদ্ধ কথা হবে। সংশয় মানে সন্দিগ্ধজ্ঞান—‘এটা হবে কি হবে না?’—এইরূপ জ্ঞান।

  • কেনোপনিষৎ

    শাঙ্করভাষ্য—‘যদস্য ব্রহ্মণো রূপম্‌’ ইতি পূর্বেণ সম্বন্ধঃ।নকেবলমধ্যাত্মোপাধিপরিচ্ছিন্নস্যাস্য ব্রহ্মণো রূপং ত্বমল্পং বেত্থ;

  • দিব্যবাণী

    …বেদে যাঁকে ব্রহ্ম বলেছে—তাঁকেই আমি মা বলে ডাকছি। যিনিই নির্গুণ, তিনিই সগুণ; যিনিই ব্রহ্ম, তিনিই শক্তি। যখন নিষ্ক্রিয় বলে বোধ হয়, তখন তাঁকে ‘ব্রহ্ম’ বলি। যখন ভাবি সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় করছেন তখন তাঁকে আদ্যাশক্তি বলি, কালী বলি।

  • ধর্মস্য তত্ত্বং নিহিতং গুহায়াম্ : বক-যুধিষ্ঠির সংবাদ

    অরণ্যের গভীরে হারিয়ে গেল মৃগ। তপস্বী ব্রাহ্মণের পক্ষে মৃগ অন্বেষণ একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু দুরন্ত মৃগের বাঁকানো শিঙের মধ্যে বেকায়দায় ঝুলে আছে ঋষির অরণি আর মন্থ।

  • অভিনবগুপ্তের শক্তিতত্ত্ব : একটি রূপরেখা

    অভিনবগুপ্তের অনেকগুলি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে দুটি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, প্রথমটি হলো তাঁর জ্ঞানলিপ্সা আর দ্বিতীয় তাঁর মাতৃভক্তি।

  • বাঙালির শিবদুর্গা মঙ্গল

    শিব ও দুর্গার মতো বাঙালি আর কোনো দেবদেবীকে এতখানি আপন করে নেয়নি। এই দম্পতিকে প্রায় সর্বত্র স্থাপন করেছে। মন্দির করতে না পারলে কোনো বেলগাছের তলায় জায়গা দিয়েছে

  • শ্রীশ্রীচণ্ডী পাঠ ও বিধি প্রসঙ্গে

    শ্রীমদ্ভাগবত-এ ভক্তির নয়টি প্রকার বলা হয়েছে :
    “শ্রবণং কীর্তনং বিষ্ণোঃ স্মরণং পাদসেবনম্‌।
    অর্চনং বন্দনং দাস্যং সখ্যমাত্মনিবেদনম্‌॥”১

  • আদর্শে স্নাপয়ামি ত্বাম্‌

    শারদীয়া দুর্গাপূজাকে ‘মহাপূজা’ নামে অভিহিত করা হয়। কারণ মহাস্নান, পূজা, হোম ও বলিদান—এই চারটি কর্মের সমন্বয়ে মহাপূজা সিদ্ধ হয়

  • সর্বতোভদ্রমণ্ডল

    শাস্ত্রে পূজার অনেক প্রকার সংজ্ঞা পাওয়া যায়। ভাবনোপনিষদ-এ রয়েছে—পূজকের নিজেকে দেবতার কাছে সমর্পণ-সম্বন্ধই পূজা।

  • বেদ বিভাজন : কর্মকাণ্ড ও জ্ঞানকাণ্ড

    চিরায়ত কাল থেকে এই জগতে জীবনচর্যার দুটি ধারা বহমান, যার একটি ধর্মবিশ্বাসের এবং অপরটি ধর্মনিরপেক্ষতার।

  • ভীষণা-মধুরা

    মেঘ জমিয়াছে ঈশান কোণে। চতুর্দিকে নামিয়া আসিল অন্ধকার। কী এক আসন্ন তাণ্ডবের অপেক্ষায় প্রকৃতি আজ নিথর! আচম্বিতে তুমুল ঝঞ্ঝাবাত-সহ ভারি বর্ষণ শুরু হইল।

  • স্বামী বিরজানন্দের একটি স্মৃতি

    বেলুড় মঠ, ১৯৫০ সাল। তখন আমি স্বামী বিরজানন্দ মহারাজের সেবক।

  • কেনোপনিষৎ

    ‘তথেন্দ্রো দেবরাট্‌ সকৃদ্‌দ্বিস্ত্রিরুক্তং চ অপ্রতিপদ্যমানঃ’—

  • দিব্যবাণী

    হে ভারত, এই পরানুবাদ, পরানুকরণ, পরমুখাপে‌ক্ষা, এই দাসসুলভ দুর্বলতা,