• বাংলার লোকায়ত আঙিনায় ল‌ক্ষ্মী

    গাঁয়ের নাম ‘লক্ষ্মীপুর’। সুফসলি ধানি মাঠের নাম ‘লক্ষ্মীজোল’। ধানের অপর নাম ‘লক্ষ্মী’। কথায় আছে—‘হাতের লক্ষ্মী পেয়ে ঠেলো না’। ছেলে কিংবা মেয়ে—অনেকের নাম লক্ষ্মী। আদর করে মা সন্তানকে ডাকেন—‘লক্ষ্মীসোনা আমার’। পৌষ মাস লক্ষ্মীমাস, বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবার। আবার ভর্ৎসনাবাক্যেও লক্ষ্মীর বিপরীতে ‘অলক্ষ্মী’ বা ‘লক্ষ্মীছাড়া’। বাংলার লোকজীবনের বারোমাস্যায়, লোকসংস্কৃতিতে দেবী লক্ষ্মী একটা বিরাট স্থান জুড়ে রয়েছেন।

  • রাঢ়ের স্মৃতি : এড়োয়ালীর কালীপূজা

    গ্রামের নাম ‘এড়োয়ালী’। আশপাশের দশ-বিশটা গাঁ-গেরামের লোকে বলে ‘এড়োল’, আবার কেউ কেউ ‘এড়ুল’ও বলে থাকে। থানা ও ব্লক খড়গ্রাম বা ‘খড়গাঁ’, আর সাব-ডিভিশন কান্দি, জেলা মুর্শিদাবাদ।

  • সুন্দরবনের খেয়া ও খেয়া সংস্কৃতি

    ছোটবেলায় খুব হিংসে হতো—আমার মনের কথাটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখে ফেলেছেন বলে। যদিও খেয়াঘাটের মাঝি হওয়ার স্বপ্ন আমার এখনো ভেঙে খানখান হয়ে যায়নি।

  • বাংলার ল‌ক্ষ্মীসরা

    সাধারণত সরার ওপর অঙ্কিত চিত্রকেই ‘সরাচিত্র’ বলা হয়। কোথাও কোথাও ‘সরাপট’ও বলে। সরার ওপর যে চিত্রাঙ্কন করা হয়, পটের অঙ্কনের সঙ্গে তার সাদৃশ্য থাকায় তাকে ‘সরাপট’ বলা হয়।

  • জঙ্গলমহলের আদিবাসী ও শারদোৎসব

    এতৎ অঞ্চলের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ঐতরেয় মহিদাস মহামুনি বিরচিত ‘ঐতরেয় আরণ্যক’-এ—

  • ব্যতিক্রমী পারিবারিক দুর্গাপূজা

    শারদোৎসব বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। পূজার কয়েকদিন আমরা নতুন করে সেজে উঠি। আত্মীয়স্বজন যিনি যেখানেই থাকুন না কেন, এই পূজার সময় মিলিত হন একসাথে। তাই দুর্গোৎসব মিলনোৎসবও বটে

  • ভারতপ্রেমিক আনন্দ কুমারস্বামী

    ভারত-অন্তপ্রাণ ডঃ আনন্দ কেন্টিশ কুমারস্বামী (১৮৭৭—১৯৪৭) তাঁর সম্পূর্ণ জীবনকালে জারিত হয়েছিলেন