• শিব! শিব!

    স্বামী বিবেকানন্দ একদিন তাঁহার একজন শিষ্যের সঙ্গে গঙ্গাতীরে বেড়াইতেছিলেন। নিমতলা শ্মশান ঘাটের নিকটে আসিয়া শিষ্য বলিল,

  • সেবা সর্বাগ্রে

    পরোপকারে কার উপকার?—আমার নিজের—এইতো স্বামীজীর কর্মযোগ—সেবাধর্ম।
    এযুগে ঠাকুর স্বামীজীই প্রত্যক্ষ দেবতা! ঠাকুর যে সা‌ক্ষাৎ ভগবান এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।

  • মনের কথা

    নিজের ব্যক্তিত্ব ভুলে গিয়ে স্বরূপত্ব বুঝতে চেষ্টা কর।
    যে সর্বদা ইষ্টচিন্তা করে, তার অনিষ্ট আসবে কোথা দিয়ে?

  • পথ ও পথিক

    তোমার দেহ হোক ‌ক্ষেত্র, সুকার্যের বীজ বপন কর সেই ‌ক্ষেত্রে। ঈশ্বরের নামের দ্বারা এই ‌ক্ষেত্রে জলসিঞ্চন কর এবং তোমার অন্তর করুক কর্ষণ।

  • কথা

    মানুষের মনে আঘাত দিয়ে কি কথা বলতে আছে? কথা সত্য হলেও অপ্রিয় কথা বলতে নেই। শেষে ওইরূপ স্বভাব হয়ে যায়। মানুষের ‌চ‌ক্ষুলজ্জা ভেঙে

  • মা

    মায়ের নাম জপ করি—‘মা আনন্দময়ী’ বলে। মার নামের একটি বিশেষ গুণ আছে। তাঁর নামেতে ভক্তি, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, বুদ্ধি, ধন, দৌলত সবই লাভ হয়।

  • অন্তঃপুরে

    সাধন-ভজন খুব গোপনে ও নির্জ্জনে করতে হয়। তাতে দিনদিন শক্তি বাড়ে। উপলব্ধির কথা সবাইকে কখনো বলে বেড়াবে না।

  • প্রত্যয়ের শক্তি

    সংসারে মানুষ স্বভাবত যে-সমস্ত প্রতিকূলতায় পড়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে ওঠে, তেমনি অবস্থায় আমরাও যখন শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে হাজির হতাম

  • চাই উদ্যম

    সুবিধা অসুবিধা যা হবার হোক, কোমর বেঁধে করতে হবে। At any cost (যাই হোক না কেন) করব এ ভাব থাকলে মহা বিপত্তি যা তোমাকে গ্রাস করবে

  • নিষ্কাম কর্ম

    দেখো, বিচার করা, মনের নানা সংশয় দূর করা, জপধ্যান ইত্যাদি করা—সব হল চিত্তের শুদ্ধতা আনার জন্য, কিনা এসব অনিত্য জিনিস থেকে,

  • দিব্যবাণী

    যখনই কোন সুখভোগ করবে, তারপর দুঃখ আসবেই আসবে—এই দুঃখ তখন তখনই আসতে পারে, অথবা খুব বিলম্বেও আসতে পারে।

  • দিব্যবাণী

    আদৌ শ্রদ্ধা ততঃ সাধুসঙ্গোঽথ ভজনক্রিয়া।ততোঽনর্থনিবৃত্তিঃ স্যাৎ ততো নিষ্ঠা রুচিস্ততঃ।।