১৮৬১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। একদিন সকালবেলা দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির
ভগবান গীতামুখে চার প্রকার ভক্তের কথা উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করলেন—আর্ত,
মানবহৃদয়ে ভক্তিপদ্ম প্রস্ফুটিত হয় ঈশ্বররূপ সূর্যের মুখপানে চেয়ে, ঈশ্বরচরণে
কনখলে এই সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্বামী নিরঞ্জনানন্দজীর মহানির্বাণ।
লেগেট হাউসের জমির পরিমাণ ছিল ২ বিঘা ৩ কাঠা ৬ ছটাক ৭ বর্গফুট। সীমানা ছিল
বৈদিক ঋষিদের সাধনক্ষেত্র বেদ-পুরাণের প্রয়াগ, মোগল রাজত্বের এলাহাবাদ। এখানেই
ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিবছর বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের
আমরা সাধারণত কী খাচ্ছি, তার প্রতি যতটা মনোযোগ দিই, কখন খাচ্ছি—সেই
গ্রীষ্ম বিদায় নিয়ে বর্ষা এলেও দাবদাহের স্মৃতি এখনো ফিকে হয়নি। ইতিমধ্যে
মূল প্রসঙ্গ ধরে যদি এগিয়ে চলি, তবে প্রথমেই উঠে আসে বিবেকানন্দ-প্রদত্ত
শ্রীম অর্থাৎ কথামৃতকার মহেন্দ্র গুপ্তের জীবনে শ্রীশ্রীমা সারদার প্রভাবের কথা জানলাম।
একজন মহান সাধকের জীবনকে জানার দুটি প্রধান উপায়—তাঁর জীবনচর্যা এবং তাঁর
কেরলের রাজ্যপাল মাননীয় রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর, কেরালা হাইকোর্টের প্রধান
‘ধর্মসংস্থাপন ও শ্রীরামকৃষ্ণের বিশিষ্টতা’ বিষয়ে ‘বি. কে. রায়, পুষ্পলতা রায় ও