১৯০১ সালে এম. ই. স্কুলে পড়ি। ১৯০২-তে মাইনর পাশ করি এবং ১৯০৬-তে ম্যাট্রিক ।
১৯০১ সালে এম. ই. স্কুলে পড়ি। ১৯০২-তে মাইনর পাশ করি এবং ১৯০৬-তে ম্যাট্রিক পাশ করেছি। ১৯০১ সালের জানুয়ারি মাসে এক ছুটির দিনে Prize distribution হয়। হয়তো রবিবার এবং যেহেতু Indian Mirror বলছে, ওরা যদি record নিয়ে থাকে তাহলে ওদের কথাই ঠিক। অর্থাৎ ১৯০১ সালের জানুয়ারি মাসে এক ছুটির দিনে Prize distribution হয়েছিল। যশোদানন্দন সাধু ছিলেন আমাদের স্কুলের সর্বেসর্বা। ঠিক হলো স্কুলে Prize distribution হবে। যাই হোক, স্বামীজী যখন বেলুড়ে আছেন তখন তাঁকে আমাদের স্কুলে নিয়ে আসা হোক। এই বলে কথাবার্তা হলো Headmaster এবং Head Pandit মশাই যাবেন এবং গিয়ে ওনাকে অনুরোধ করবেন এখানে আসার জন্য। সেইমতো মাস্টারমশাই ও পণ্ডিতমশাই দুজনে গেলেন। গিয়ে ওনারা ফিরে এলেন এবং বললেন : “ওরে হলো না, স্বামীজী বললেন, ‘আমার শরীর খারাপ, আমি যাব না।” আরো বললেন : “দেখ, তোরা যদি যাস তাহলে হয়তো তিনি রাজি হতে পারেন। তোরা তো বেলুড়ের ছেলে, আবার এই স্কুলের ছেলে। হয়তো তিনি রাজি হতে পারেন।” তার দু-এক দিন পরে, আমরা চারজন ছিলাম, গিয়ে ওঁকে প্রণাম করে দাঁড়াতেই উনি বললেন : “কিরে কী চাই?” আমরা বললাম : “আমরা বেলুড় স্কুলের ছেলে আর বেলুড় স্কুলের Prize distribution, সেইজন্য আপনাকে—।” তিনি বললেন : “ও বুঝেছি, তোদের মাস্টারমশাইদের ফেরত দিয়েছিলুম, তাই তোদের আবার আমার কাছে পাঠিয়েছে, না?” আমরা বললাম : “আপনার পায়ের ধুলো নেবই এবার স্কুলে, আপনি রয়েছেন যখন বেলুড়ে।” স্বামীজী বললেন : “তোরা নিবি? আমার শরীর খারাপ দেখছিস তো।” তা আমরা বললাম : “আমরা একটা ঘোড়ার গাড়ি আনব, আপনাকে নিয়ে যাব এবং মঠে পৌঁছে দেব।” স্বামীজী একটু চুপ করে রইলেন—“তাই তো ছাড়বি না তোরা।” আমরা বললাম : “আমাদের এবার পায়ের ধুলো দিতেই হবে।” তা বললেন : “তোদের কবে Prize হবে?” আমরা বললাম : “অমুক দিন হবে।”—“তার আগের দিন আমায় মনে করিয়ে দিয়ে যাস।” আমাদের একজন বললেন : “গাড়ি নিয়ে আসব?” “না, না, গাড়ি আনতে হবে না যা, আমি ঠিক হেঁটে যাব।”—এই কথা বললেন স্বামীজী। তা...
Read the Digital Edition of Udbodhan online!
Subscribe Now to continue reading
₹120/year
Start Digital SubscriptionAlready Subscribed? Sign in
