Recent stories

বেদনার বালুচরে অতুলপ্রসাদের জীবন ও সৃজনধারা

অ তু ল স ম্প দ

বাংলা গীতিকাব্যের জগতে অতুলপ্রসাদ সেনের নাম স্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর জীবনের অনেকটা সময় বাংলার পরিমণ্ডলের বাইরে অতিবাহিত হলেও তাঁর সংগীত ও কবিতা রচনায় কোনো ছেদ পড়েনি। তিনি নিরলসভাবে তাঁর সৃজনশীলতাকে জাগরূক রেখে একদিকে যেমন বাংলা গীতিকাব্যকে সমৃদ্ধ করেছেন, তেমনি অন্যদিকে অশেষ মাধুর্য দান করেছেন। ....

বাংলার লোকায়ত আঙিনায় ল‌ক্ষ্মী

পূ জা-পা র্ব ণ

গাঁয়ের নাম ‘লক্ষ্মীপুর’। সুফসলি ধানি মাঠের নাম ‘লক্ষ্মীজোল’। ধানের অপর নাম ‘লক্ষ্মী’। কথায় আছে—‘হাতের লক্ষ্মী পেয়ে ঠেলো না’। ছেলে কিংবা মেয়ে—অনেকের নাম লক্ষ্মী। আদর করে মা সন্তানকে ডাকেন—‘লক্ষ্মীসোনা আমার’। পৌষ মাস লক্ষ্মীমাস, বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবার। আবার ভর্ৎসনাবাক্যেও লক্ষ্মীর বিপরীতে ‘অলক্ষ্মী’ বা ‘লক্ষ্মীছাড়া’। বাংলার লোকজীবনের বারোমাস্যায়, লোকসংস্কৃতিতে দেবী লক্ষ্মী একটা বিরাট স্থান জুড়ে রয়েছেন। ....

Featured story

Spotlights

রাঢ়ের স্মৃতি : এড়োয়ালীর কালীপূজা

গ্রামের নাম ‘এড়োয়ালী’। আশপাশের দশ-বিশটা গাঁ-গেরামের লোকে বলে ‘এড়োল’, আবার কেউ কেউ ‘এড়ুল’ও বলে থাকে। থানা ও ব্লক খড়গ্রাম বা ‘খড়গাঁ’, আর সাব-ডিভিশন কান্দি, জেলা মুর্শিদাবাদ।

অতুলপ্রসাদের জীবন-গান

পূর্ববঙ্গের (অধুনা বাংলাদেশ) ঢাকাস্থ ফরিদপুরের কবিরাজ কৃষ্ণচন্দ্র সেনের কনিষ্ঠ পুত্র রামপ্রসাদ কলকাতার মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করে ডাক্তারিতে মেতে যান স্বভূমিতে। পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হলেন ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র-দী‌ক্ষিত ভাব-কবি কালীনারায়ণ গুপ্তের কন্যা হেমন্তশশীর সঙ্গে। তাঁদের প্রথম সন্তান এবং একমাত্র পুত্র অতুলপ্রসাদের জন্ম ২০ অক্টোবর ১৮৭১।

বাংলার লোকায়ত আঙিনায় ল‌ক্ষ্মী

গাঁয়ের নাম ‘লক্ষ্মীপুর’। সুফসলি ধানি মাঠের নাম ‘লক্ষ্মীজোল’। ধানের অপর নাম ‘লক্ষ্মী’। কথায় আছে—‘হাতের লক্ষ্মী পেয়ে ঠেলো না’। ছেলে কিংবা মেয়ে—অনেকের নাম লক্ষ্মী। আদর করে মা সন্তানকে ডাকেন—‘লক্ষ্মীসোনা আমার’। পৌষ মাস লক্ষ্মীমাস, বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবার। আবার ভর্ৎসনাবাক্যেও লক্ষ্মীর বিপরীতে ‘অলক্ষ্মী’ বা ‘লক্ষ্মীছাড়া’। বাংলার লোকজীবনের বারোমাস্যায়, লোকসংস্কৃতিতে দেবী লক্ষ্মী একটা বিরাট স্থান জুড়ে রয়েছেন।

বেদনার বালুচরে অতুলপ্রসাদের জীবন ও সৃজনধারা

বাংলা গীতিকাব্যের জগতে অতুলপ্রসাদ সেনের নাম স্মরণীয় হয়ে আছে। তাঁর জীবনের অনেকটা সময় বাংলার পরিমণ্ডলের বাইরে অতিবাহিত হলেও তাঁর সংগীত ও কবিতা রচনায় কোনো ছেদ পড়েনি। তিনি নিরলসভাবে তাঁর সৃজনশীলতাকে জাগরূক রেখে একদিকে যেমন বাংলা গীতিকাব্যকে সমৃদ্ধ করেছেন, তেমনি অন্যদিকে অশেষ মাধুর্য দান করেছেন।