মাঘ ১৪২৯ | January 2023 • ১ম সংখ্যা | ১২৫তম বর্ষ

  • বর্ণিল পথচলা
    প্রচ্ছদ ভাবনা
    বর্ণিল পথচলা

    স্বামী বিবেকানন্দ শ্রীরামকৃষ্ণের করুণামুখর অবতরণের প্রেক্ষাপট অনুসন্ধানে বলেছেন: “প্রত্যেক পতনের পর পুনরুত্থিত সমাজ অন্তর্নিহিত সনাতন পূর্ণত্বকে সমধিক প্রকাশিত করিতেছেন এবং সর্বভূতান্তর্যামী প্রভুও প্রত্যেক অবতারে আত্মস্বরূপ সমধিক অভিব্যক্ত করিতেছেন।” ...

Spotlights
  • আশীর্বাণী

    শুভেচ্ছাবার্তা

    উদ্বোধন পত্রিকা আগামী বছর ১২৫ বর্ষে পদার্পণ করতে চলেছে। স্বামী বিবেকানন্দ বাংলা ভাষায় একটি পত্রিকা প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা বোধ করেছিলেন

  • স্মৃতিসুধা

    স্বামী বিবেকানন্দের কথা

    স্বামীজীর সঙ্গে দেখা হওয়ার স্মরণীয় দিনটির প্রতিটি মুহূর্ত আমার এখনো মনে আছে। গত আটচল্লিশ বছর ধরে এটি আমার জীবনের ভিত্তি।

  • স্মৃতিসুধা

    স্বামী ত্রিগুণাতীত

    আপনার গত ২১ জানুয়ারির কৃপাপত্র পেয়ে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের চিঠিতে মিস্টার প্যাটারসন ও আপনি যে সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন তার জন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।

  • স্মৃতিসুধা

    স্বামী সারদানন্দের স্মৃতি

    ঈশ্বরের কৃপায় আমি ১৯১৩ সালে প্রথম স্বামী সারদানন্দজীর সাক্ষাৎলাভ করি এবং শ্রীরামকৃষ্ণের শক্তি ও সহধর্মিণী শ্রীমা সারদাদেবীর মহিমা ও বিশালতার কথা জানতে পারি

  • বিশ্ববীণারবে

    উদ্বোধনের প্রস্তাবনা

    ভারতের প্রাচীন ইতিবৃত্ত—এক দেবপ্রতিম জাতির অলৌকিক উদ্যম, বিচিত্র চেষ্টা, অসীম উৎসাহ, অপ্রতিহত শক্তিসংঘাত ও সর্ব্বাপেক্ষা অতি গভীর চিন্তাশীলতায় পরিপূর্ণ।

  • বিশ্ববীণারবে

    উদ্বোধন : উৎস ও গতি

    স্বামী বিবেকানন্দ প্রবর্তিত বাংলা পত্রিকা উদ্বোধন ১২৫ বছরে পদার্পণ করেছে। নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রকাশিত উদ্বোধন এক অনন্য গৌরবের অধিকারী। উদ্বোধন শুধুমাত্র ধর্মীয় পত্রিকা নয়।

  • বিশ্ববীণারবে

    উদ্বোধন-এর উৎস সন্ধানে

    উনিশ শতকে বাংলাদেশে প্রকাশিত সহস্রাধিক পত্র-পত্রিকার অধিকাংশই আজ লুপ্ত। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলাদেশে মুদ্রণযন্ত্রের স্থাপনা এবং 29 Jan 1789-এ

  • প্রবাহ

    কথা-প্রসঙ্গে

    শ্রীভগবানের কৃপায় ও তাঁহার আশীর্ব্বাদ মস্তকে ধারণ করিয়া, আজ নূতন মাঘে উদ্বোধন তাহার পঞ্চবিংশতি বর্ষে পদার্পণ করিল। নবীন বর্ষে সে তাহার পাঠক-পাঠিকার নিকট শুভেচ্ছা ও ভাবের আদান প্রদান প্রার্থী।

  • প্রবাহ

    ‘উদ্বোধনে’র সুবর্ণ জয়ন্তী

    বর্তমান মাঘ মাসে ‘উদ্বোধন’ পঞ্চাশ বৎসরে পদার্পণ করিল। এই উপলক্ষে ইহার সচিত্র সুবর্ণ জয়ন্তী সংখ্যা প্রকাশিত হইল। মহাসমন্বয়াচার্য শ্রীরামকৃষ্ণদেবের অনুষ্ঠিত ও প্রচারিত ভাবাদর্শে ভারতের সর্বাঙ্গীণ অভ্যুদয় সাধনের উদ্দেশ্যে সকল নরনারীকে উদ্বুদ্ধ করিবার জন্য আচার্য স্বামী বিবেকানন্দ ‘উদ্বোধন’ প্রবর্তন করেন। এই কারণে ইহার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে সর্বাগ্রে আমরা এই নব-যুগপ্রবর্তক আচার্যদ্বয়ের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করিতেছি এবং যে সকল দেশ-প্রসিদ্ধ মনীষীর সুচিন্তিত রচনা-সম্ভারে সমৃদ্ধ করিয়া এই সংখ্যা প্রকাশ করা সম্ভব হইল, তাঁহাদিগকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাইতেছি। আশা করি, ইহা সহৃদয় পাঠক-পাঠিকাগণের মনোরঞ্জন বিধান করিতে সমর্থ হইবে।

  • প্রবাহ

    উদ্বোধন-এর পুণ্য স্মৃতির ধন্য দিনগুলি

    ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর কৃপায় আমার অশেষ সৌভাগ্য হয়েছিল— খুব কম বয়সে উদ্বোধন পত্রিকা সম্পাদনার কাজে যুক্ত হতে পেরেছিলাম। প্রথম থেকেই আমার এবিষয়ে ভয় ছিল; কারণ তখন আমার বয়স কম—মাত্র ছত্রিশ, অভিজ্ঞতাও কম।

  • প্রবাহ

    প্রাণবন্ত উদ্বোধন

    সেই ঘটনা তো বহুবার আলোচিত হয়েছে। পূর্ববঙ্গের এক ভক্ত সুরেন্দ্রনাথ রায় শ্রীশ্রীমাকে চিঠিতে লিখেছিলেন তাঁর অসুস্থতার কথা। শেষনিঃশ্বাস ত্যাগের আগে একটিবার শ্রীশ্রীমায়ের দর্শনাকাঙ্ক্ষী তিনি। শ্রীশ্রীমা নিজের একটি ফটো এবং একবছরের বাঁধাই করা উদ্বোধন পাঠিয়ে দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, ভয় নেই, অসুখ সেরে যাবে। সুরেন্দ্রবাবু যেন ফটোখানি দেখেন ও উদ্বোধন পাঠ করেন।

  • কবিতা

    উদ্বোধন ১২৫

    আকাশ নেমেছে মাটির বুকের কাছে মাটির কান্না আকাশকে ছুঁতে চায়, দিগন্ত রেখা সরে যায় দূরে দূরে এগিয়ে গেলেই অনন্ত পাওয়া যায়।

  • কবিতা

    মানব-উদ্বোধন

    মানুষের মন অতল গভীর, জিজ্ঞাসা-জর্জর— কোথা পাবে সব উত্তর তার খুঁজে ফিরে অহরহ, কোথা গিয়ে প্রাণ জুড়াবে নিভৃতে, পাবে প্রেম-নির্ঝর— সে বাতাস কোথা, যার তীরবেগে কেটে যাবে সব মোহ! দেবস্বরূপ অনুভবে মন কোথায় ধন্য হবে—

  • কালের হিল্লোলে

    কালের হিল্লোলে

    উদ্বোধন-এর প্রথম প্রকাশস্থল : ১৪ নং রামচন্দ্র মৈত্র লেন, কম্বুলেটোলা, কলকাতা-৭০০০০৪। ১ম বর্ষ থেকে ৮ম বর্ষের শেষ ভাগ (মাঘ ১৩০৫– কার্তিক ১৩১৩) পর্যন্ত এখান থেকে উদ্বোধন প্রকাশিত হয়।

  • সম্পাদক ও সম্পাদনাকাল
    [১ম বর্ষ—১২৫তম বর্ষ]

    স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ ১ম বর্ষ—৪র্থ বর্ষ মাঘ ১৩০৫, জানুয়ারি ১৮৯৯ পৌষ ১৩০৯, ডিসেম্বর ১৯০২

  • তপোবহ্নির বাণী

    শতবর্ষের আলোয় ‘উদ্বোধন’

    শ্রীরামকৃষ্ণ সকলের কল্যাণের জন্য জগৎকে যে আধ্যাত্মিক ভাব দিয়েছিলেন তাকে দৃঢ়ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং সর্বসাধারণের মধ্যে বিতরণ করতে স্বামীজীর চেষ্টার অন্ত ছিল না। তিনি জানতেন, শিকাগোর ধর্মমহাসভায় তাঁর আবির্ভাব এবং ভারত-প্রত্যাবর্তনের সূত্রে যে ভাবান্দোলনের তরঙ্গ উঠেছে, তার প্রাবল্য বেশিদিন মানুষের মনে স্থায়ী হবে না। তাকে চিরজাগ্রত রাখতে হলে একটি প্রবল মাধ্যম প্রয়োজন, যার ভিতরে সেই শাশ্বত ভাব ও ভাষা ‘বহুজনহিতায় বহুজনসুখায়’ জীবন্ত হয়ে উঠবে এবং মানব-মনে আনবে চিরশান্তির চেতনা।

  • তপোবহ্নির বাণী

    রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ আন্দোলনের অগ্রদূত উদ্বোধন

    স্বামী বিবেকানন্দ ভারতবর্ষের জনসাধারণকে ‘একটা sleeping leviathan - এর সঙ্গে তুলনা করে তাঁর ‘মিশন’কে প্রকাশ করে বলেছিলেন: “আমার এখন একমাত্র ইচ্ছা, দেশটাকে জাগিয়ে তুলি—মহাবীর যেন নিজের শক্তিমত্তায় অনাস্থাপর হয়ে ঘুমুচ্ছে—সাড়া নেই—শব্দ নেই। সনাতন ধর্মভাবে একে কোনরূপে জাগাতে পারলে বুঝব ঠাকুরের ও আমাদের আসা সার্থক হলো৷”১ এই উদ্দেশ্যে তাঁর ‘রামকৃষ্ণ মিশন’ প্রতিষ্ঠা ও সেবাকাজের পত্তন।ত

  • তপোবহ্নির বাণী

    কালের অভিযাত্রায় উদ্বোধন

    উদ্বোধন-এ থাকার সময় একটি চিঠি এল। লিখেছেন এক প্রবাসী। আদি বাড়ি তাঁদের কলকাতায়। মধ্যবয়সি মানুষ। তাঁর বাবার সদ্য মৃত্যু হয়েছে। শ্রাদ্ধাদি ক্রিয়াকর্মের তাগিদে দিন কয়েকের জন্য আসা। বাবা ছিলেন উদ্বোধন পত্রিকার পোকা। বাবার ধর্মীয় বইপত্র বিশেষত উদ্বোধন পড়ার তীব্র অনুরাগকে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত ছেলে চিরদিন ‘বাতিক’ বলে মনে করতেন। বাবার ঘর গোছাতে গোছাতে উদ্বোধন-এর বহু সংখ্যা একত্রিত করছেন পুরানো কাগজপত্রের সঙ্গে বেচে দেবেন বলে।

  • তপোবহ্নির বাণী

    উদ্বোধন পত্রিকার লক্ষ্য

    ১৯৮০ সালে আমি উদ্বোধন পত্রিকায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। তখন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন পূজনীয় স্বামী ধ্যানানন্দ আর অধ্যক্ষ ছিলেন পূজনীয় স্বামী হিরণ্ময়ানন্দ। আমি তখন ব্রহ্মচারী। স্বামী হিরণ্ময়ানন্দকে দেখতাম খুব পড়াশোনা করতে। তিনি ভাল লেখক ছিলেন।

  • গতিময় উর্মিমালা

    উদ্বোধন: স্মৃতিতে ও মননে

    উদ্বোধন সম্পর্কে প্রথম যে-স্মৃতির কথা মনে পড়ে, তা হলো একটি লেখা—বইটির বাইরে গেরুয়া রঙের প্রচ্ছদপট, তাতে বাগবাজারের ‘শ্রীশ্রীমায়ের বাড়ী’র ছবি ছাপা আর সেই লেখাটির কয়েকটি লাইনের সারমর্ম—“যিনি বারবার ভূপতিত হয়েও আবার উঠে দাঁড়াতে পারেন, তিনিই ঠিকঠিক ধার্মিক।” তারপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এবং বহু স্মৃতি মুছে গেলেও এই কথাটি কিছুতেই ভোলা সম্ভব হয়নি৷

  • গতিময় ঊর্মিমালা

    স্মৃতির আলোয় উদ্বোধন

    আমার বাবা যেহেতু নানান কর্মস্থলে ঘুরে ঘুরে কাজ করতেন তাই আমাদের বেশি সময় স্কুলে পড়া হয়নি। অর্ধেক সময় বাড়িতেই পড়েছি। আমি ক্লাস সেভেনে প্রথম স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। যেহেতু বাবার বদলির চাকরি ছিল, সেহেতু বাবা বাড়িতেই মাস্টারমশাইদের দিয়ে আমাদের পড়ানোর ব্যবস্থা করছিলেন। সেসময় আমরা বাড়িতে যখন যা হাতের কাছে পেয়েছি পড়েছি।

  • গতিময় ঊর্মিমালা

    বাংলা সাহিত্যের একটি ব্যতিক্রমী সাময়িক পত্র উদ্বোধন

    ১ মাঘ ১৩০৫ বঙ্গাব্দে ত্রিগুণাতীতানন্দজীর (১৮৬৫–১৯১৫) সম্পাদনায় উদ্বোধন প্রকাশিত হয়। পত্রিকার প্রথম পাতার প্রচ্ছদপটে পত্রিকার পরিচিতি জ্ঞাপন করে উল্লেখ করা হয়েছিল—‘ধর্ম্মনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি, দর্শন, বিজ্ঞান, কৃষি, শিল্প, সাহিত্য, ইতিহাস, ভ্রমণ প্রভৃতি বিষয়ক বাঙ্গালা পাক্ষিক-পত্র ও সমালোচন৷’

  • গতিময় ঊর্মিমালা

    তোমার হাতের লিখনমালা

    কত স্মৃতি বিস্মরণের ঘূর্ণিতে তলিয়ে গেছে! কত স্মৃতি পুরানো বাড়ির মতো—ভঙ্গুর দশা, হাড়-পাঁজর বেরনো, ধূলিমলিন। আবার অনেক স্মৃতি তুতেনখামেনের মমির মতো আজও স্বর্ণোজ্জ্বল! সেগুলোর সবটুকু মনে আছে। মনে থাকে। আসলে নতুন স্মৃতিকে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিস্মরণের প্রবাহ খুব স্বাভাবিক। তা না হলে মানুষ স্মৃতিকাতরতার আবর্তে পড়ে যাবে। তখন স্মৃতিই হয়ে উঠবে মানসিক সমস্যা৷

  • প্রচ্ছদ ভাবনা

    বর্ণিল পথচলা

    স্বামী বিবেকানন্দ শ্রীরামকৃষ্ণের করুণামুখর অবতরণের প্রেক্ষাপট অনুসন্ধানে বলেছেন: “প্রত্যেক পতনের পর পুনরুত্থিত সমাজ অন্তর্নিহিত সনাতন পূর্ণত্বকে সমধিক প্রকাশিত করিতেছেন এবং সর্বভূতান্তর্যামী প্রভুও প্রত্যেক অবতারে আত্মস্বরূপ সমধিক অভিব্যক্ত করিতেছেন।”

  • সংবাদ

    রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন সংবাদ

    রামকৃষ্ণ মিশনের 113তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার, 18 ডিসেম্বর 2022, বেলা 3.30টায় বেলুড় মঠে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে রামকৃষ্ণ মঠ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ 202122 আর্থিক বছরে রামকৃষ্ণ মিশন পরিচালনা সমিতির কাজের ওপর প্রতিবেদন (রিপোর্ট) উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনের একটি সারসংক্ষেপ এখানে দেওয়া হলো: