‘শিব শিব আরতি তোমার’
অনন্তমূর্তি শ্রীরামকৃষ্ণ। ভক্ত-সাধক তাঁকে যেভাবে পেতে চায়, তিনি অনুরূপ দর্শনদানে ...
শ্রীরামকৃষ্ণ বলিতেন : “ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ।” যেমন অগ্নি ও তাহার দাহিকাশক্তি, তেমনি ...
‘শিব’ শব্দের অর্থ মঙ্গলময় এবং ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা প্রতীক। সুতরাং যে-প্রতীক বা চিহ্নে
দেহবোধশূন্য ও দেহসুখের কামদহনকারী শিবের কাছে চিতাভস্মই একমাত্র
লাটু মহারাজ বলতেন : “অন্নকূটের প্রসাদ ধারণ করলে অন্নবস্ত্রের কষ্ট থাকে না।”
আসমুদ্রহিমাচলের অজস্র শৈবতীর্থে দেবাদিদেব বিরাজিত ভারতের আদর্শরূপে, ভারতবাসীর
শৈবদর্শনের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছিল ভারতের বিভিন্ন স্থানে, বিভিন্ন কালে ও বিভিন্ন
সোনামুখীর মনোহরদাস ঠাকুরের সেবায়েত বংশের হারাধন চট্টোপাধ্যায়ের কাছ
কেদারনাথ, বদরীনাথ, যমুনোত্রী ও গঙ্গোত্রীর ভ্রমণকাহিনি বিবৃত হয়েছে এই গ্রন্থে।
গ্রন্থটি আকারে ক্ষুদ্র হলেও ভাবনায় গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। স্বামী বিবেকানন্দের বিভিন্ন
গত ২৪ ডিসেম্বর যিশুখ্রিস্টের আবির্ভাবের প্রাক্সন্ধ্যায় যথোচিত মর্যাদায় তাঁর
সম্পাদক—স্বামী কৃষ্ণনাথানন্দ; ব্যবস্থাপক সম্পাদক—স্বামী নিত্যমুক্তানন্দ; প্রচ্ছদ চিত্র— ছন্দক মজুমদার