ঔষধে আর কী হইবে? এ শরীর এরকমই চলিবে। এক উটের পিঠে নাকাড়া বাজানো হইত। সে এক বুড়ির খেতে ফসল

১স্বামী দেবী গিরিজীর কথাবিদ্বানের কালব্যতীত (দাঁতে বেদনার জন্য ঔষধ প্রয়োগ করার কথায়)ঔষধে আর কী হইবে? এ শরীর এরকমই চলিবে। এক উটের পিঠে নাকাড়া বাজানো হইত। সে এক বুড়ির খেতে ফসল খাইতে ঢুকিয়াছে। বুড়ি ভয় দেখাইবার জন্য একটা টিন বাজাইতে আরম্ভ করিল। উট হাসিয়া বলিল : “উহাতে আর আমার কী হইবে? আমার পিঠে সর্বদা নাকাড়া বাজে।”নির্বিকল্প প্রদেশে বাস করিতেছি, সংঘাতে যাহা কিছু হইতেছে তাহা। দেখিতেছি, শরীরধারণোপযোগী রুটিও মিলিতেছে—কালব্যতীত হইয়া যাইতেছে।জাবাল উপনিষদে আছে যে, মুমু‌ক্ষুর জন্য এক মাণ্ডুক্যই যথেষ্ট। তাই মাণ্ডুক্যখানা খুব ভাল করিয়া পড়িয়াছি। উহার পিছনে খুব খাটিয়াছিলাম। পড়া এমন হওয়া উচিত যে, সে-গ্রন্থের যেকোনো কথা বলিলে উহা করতলস্থিত আমলকবৎ স্পষ্ট হইবে। [উদ্বোধন, ৯১তম বর্ষ, ৬ষ্ঠ সংখ্যা] ২শরীর ও সাধন শরীর ঠিক হইবে তারপর সাধন করিব ইহা হইবার নহে। শরীর যেমনই থাকুক, ঐ সঙ্গেই সাধন ভজন যাহা করিবার করিয়া যাইতে হইবে। বিক্ষিপ্ত মন নিয়েই সাধনে নিযুক্ত হইতে হইবে, ক্রমে মন স্থির হইবে। [উদ্বোধন, ৯১তম বর্ষ, ১০ম সংখ্যা] ৩স্বামী ব্রহ্মপ্রকাশজীর কথাগোলামের গোলাম মনঃসংযম সাধুর পক্ষে অতি আবশ্যক। মনে মনে বিষয়-ভোগবাসনার সংকল্প হইতে থাকিলে অন্য সাধন ব্যর্থ। এক রাজা এক সাধুর কাছে উপদেশ প্রার্থনা করিয়াছিলেন। সাধু বলিলেন : “তোমার সঙ্গে আমি কী কথা বলব? তুমি তো আমার গোলামের গোলাম।” রাজা বলিলেন : “সে কী? আমি দেশের রাজা। আপনার গোলামের গোলাম কী করে?” সাধু বলিলেন : “মন আমার গোলাম। কিন্তু তুমি বিষয়ভোগলালসায় নিরন্তর মনের সংকল্প দ্বারা চালিত হয়ে এদিক ওদিক দৌড়াচ্ছ, তাই তুমি হচ্ছ মনের গোলাম। সেই জন্যই বলেছি, তুমি আমার গোলামের গোলাম। যত‌ক্ষণ গোলামি করবে ততক্ষণ কোনো উপদেশই তোমার হৃদয়ে প্রবেশ করবে না।” [উদ্বোধন, ৯২তম বর্ষ, ১ম সংখ্যা] ৪স্বামী সারদেশানন্দজীর কথা‘আসনে সাধু, বিবরে সাপ’ পূজনীয়দের কাছে এই প্রবাদবাক্যটি বহুবার শুনিয়াছি—‘আসনে সাধু, বিবরে সাপ’। বিবর অর্থাৎ সাপের গর্ত। সাপ যখন গর্তে থাকে তখন তাহার বল অসীম। তখন নিকটে কাহাকেও পাইলে আর রক্ষা নাই। সেইরূপ আসনেই সাধুর বল। যত...

Read the Digital Edition of Udbodhan online!

Subscribe Now to continue reading

₹120/year

Start Digital Subscription

Already Subscribed? Sign in