২৪ জানুয়ারি ২০২৫ বেলা ১১টা নাগাদ পৌঁছালাম জোহানেসবার্গ এয়ারপোর্টে। আমাদের নিতে
২৪ জানুয়ারি ২০২৫ বেলা ১১টা নাগাদ পৌঁছালাম জোহানেসবার্গ এয়ারপোর্টে। আমাদের নিতে এসেছিলেন জোহানেসবার্গ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ স্বামী সারদাপ্রভানন্দ ও তাঁর সহকারী স্বামী বিপ্রানন্দ এবং ডারবান কেন্দ্রের অধ্যক্ষ স্বামী স্বাত্মারামানন্দ। সঙ্গে জোহানেসবার্গ ও ডারবানের একদল ভক্ত। এই নিয়ে তিনবার দক্ষিণ আফ্রিকায় আসা হলো। প্রথম দুবার এসেছিলাম ২০১৩ সালে এবং ২০১৬ সালে। এবার একটু ভিন্ন ভূমিকায় আসা। বেলুড় মঠ থেকেই আমার সঙ্গে এসেছে স্বামী চন্দ্রকান্তানন্দ ও স্বামী সেবাত্মানন্দ। মূলত ডারবান কেন্দ্রের আহ্বানে, দক্ষিণ আফ্রিকার রামকৃষ্ণ-ভাবান্দোলনের প্রাণপুরুষ স্বামী নিশ্চলানন্দের শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতেই আসা। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রচুর ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বাস করে। ভারতবর্ষের বাইরে সবচেয়ে বড় ভারতীয় কলোনি হলো ডারবান অঞ্চল। এখানে রামকৃষ্ণ মিশনের আনুষ্ঠানিক আবির্ভাব মাত্র দুই দশক আগে হলেও গত তিরাশি বছরের ওপর এখানে শ্রীরামকৃষ্ণের ভাব প্রচারিত হয়ে চলেছে। তার মূলে রয়েছে স্বামী নিশ্চলানন্দের অবদান। ভারতীয়রা দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে প্রথম বসবাস শুরু করেছিল নাটাল প্রভিন্সে এবং আজও নাটালেই (বর্তমান নাম ‘কোয়া-জুলু-নাটাল’) ভারতীয়দের আশি শতাংশ বাস করে। এছাড়া আরো দু-একটি জায়গায়—যেমন কেপ টাউন, প্রিটোরিয়া, জোহানেসবার্গেও বেশ কিছু ভারতীয় থাকে। ভারতীয়দের মধ্যে কাজ করার জন্যই ডারবানে একটি স্থায়ী কেন্দ্রের প্রয়োজন অনুভূত হওয়ায় স্বামী নিশ্চলানন্দ এখানকার আভোকা অঞ্চলে বাগানবাড়ি-সহ একখণ্ড জংলা জমি কিনে নেন। জমিটির চারদিকে ছিল আখের খেত। সেখানে দুটি ছোট কুটির তৈরি করে রামকৃষ্ণ-ভাবধারার কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। বর্তমানে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্তম কেন্দ্র এবং প্রায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রত্যেকটি কেন্দ্রের ‘মাদার সেন্টার’ বা ‘হেডকোয়ার্টার’ বলে বিবেচিত হয়। সেদিনটা জোহানেসবার্গে বিশ্রাম করে পরদিন ২৫ জানুয়ারি আমরা সকালে বিমানযোগে এসে পৌঁছালাম ডারবানে। বিকেলে ডারবান কেন্দ্রের ‘স্বামী নিশ্চলানন্দ হল’-এ সূচনা হলো স্বামী নিশ্চলানন্দের শতবার্ষিকী উৎসব প্রদীপ প্রজ্বলন এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। ডারবান কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সৎসঙ্গ গোষ্ঠী সংগীত, ভজন ইত্যাদি পরিবেশন করল। এই কেন্দ্রের অধ্যক্ষ স্বামী স্বাত্মারামানন্দ খুব ভাল গান করেন। তিনি একদল গায়ককে দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের ওপরে একটি হিন্দি গান শোনালেন। গানের শেষ চরণটিতে ছিল—স্বামী...
Read the Digital Edition of Udbodhan online!
Subscribe Now to continue reading
₹120/year
Start Digital SubscriptionAlready Subscribed? Sign in
