আশ্বিন ১৪২৯ | September 2022 • ৯ম সংখ্যা | ১২৪তম বর্ষ

  • কা ত্বং শুভে শিবকরে
    প্র চ্ছ দ ভা ব না
    কা ত্বং শুভে শিবকরে

    মেঘজটাজটিলরূপ বিচিত্র কর্মাকর্ম শরীর যেন অপ্রমেয়া মহামায়ারই বিরাট রূপ। বিচিত্র লোহিত, কৃষ্ণ, শুক্লে ত্রিগুণময়ী। তিনিই ভবজল তরঙ্গভঙ্গের অবধারিত কর্ত্রী। নেপথ্যে তিনিই অব্যক্তা মহাশক্তি ...

Spotlights
  • আ লো র আ লো

    একাগ্রতা, মনঃসংযম ও ধ্যান বিষয়ে দু-একটি কথা : স্বামীজীর চিন্তার আলোয়

    ধ্যান, মনঃসংযম, একাগ্রতা প্রভৃতি শব্দ ও প্রসঙ্গগুলি স্বামীজীর বক্তৃতা, চিঠিপত্র ও রচনাবলিতে বারবার এসেছে৷ বিদেশে একটি বক্তৃতায় তিনি মনের মধ্যে নিহিত অশেষ শক্তির কথা বলতে গিয়ে বলেছেন,

  • আলোর আলো

    স্বামী বিবেকানন্দ ও দুর্গাপূজা

    শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত-এর একটি অসামান্য দৃশ্য : ১৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৪, ভাদ্র কৃষ্ণা দশমী তিথি। আগের দিনই দেবীর পূজার প্রথম কল্পের সূচনা হয়েছে। মহালয়া এখনো পাঁচদিন বাকি।

  • আলোর আলো

    স্বামী সারদানন্দজীর তন্ত্রসাধনা

    ‘তন্যতে বিস্তার্যতে জ্ঞানম্ অনেন ইতি তন্ত্রম্’ অর্থাৎ যে-শাস্ত্রের দ্বারা জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, তাকে তন্ত্র বলে। কামিকাগম তন্ত্রকে বলা হয়েছে এক শ্রেণির টেক্সট (Text), যেখানে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে—

  • স্মৃ তি সু ধা

    শ্রীরামকৃষ্ণ-পার্ষদ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ : ডায়েরির পাতা থেকে

    পুরীতে মহারাজ (স্বামী ব্রহ্মানন্দজী) আমায় (স্বামী গঙ্গানন্দকে) বললেন : “কলিকালে সিদ্ধি হয় না কেন জানিস? ‘পরদানগ্রহণেন হস্তাঃ দগ্ধাঃ চ‌ক্ষুর্দগ্ধং পরস্ত্রীদর্শনেন।’”

  • স্মৃ তি সু ধা

    স্মৃ তি সু ধা

    বেশ কয়েক বছর যাবৎ পূজ্যপাদ স্বামী ভূতেশানন্দজী মহারাজের সেবা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। সেই সুবাদে তাঁর সঙ্গে দেশ-বিদেশের বহু

  • বি স্মৃ তি র অ ন্ত রা লে

    সাধক-কবি কমলাকান্তের বিস্মৃতপ্রায় একটি গ্রন্থ

    অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীতে যে-কয়েকজন শাক্ত পদকার শাক্ত গীতিসাহিত্য ও শাক্ত সাধনাকে জনপ্রিয় করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কবি কমলাকান্ত ভট্টাচার্য বিশিষ্টতার আসন লাভ করেছেন।

  • বি স্মৃ তি র অ ন্ত রা লে

    অপ্রকাশিত পত্র : প্রসঙ্গ রবীন্দ্রনাথের

    শান্তিনিকেতন থেকে ২ আশ্বিন ১৩৪৪ [শনিবার 18 Sep 1937] তারিখে পত্রাকারে লিখিত বিশ্বপরিচয় গ্রন্থের ভূমিকায় সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন :

  • আ লো ক পা ত

    শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্যধন্যা মহামায়া মিত্র

    শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে আগত ভক্তিমতী মহিলাদের অন্যতমা হলেন কালীপদ ঘোষ ওরফে দানাকালীর কনিষ্ঠা ভগিনী মহামায়া মিত্র। বিশ্বচেতনায় শ্রীরামকৃষ্ণ গ্রন্থে

  • আ লো ক পা ত

    অরণ্যের আপনজন

    চৈত্র অপরাহ্ণ এখানে ম্রিয়মাণ, দূরে তুষারাবৃত শৈলরাজি হতে বয়ে আসা শীতার্ত বাতাসে কান পাতলে শোনা যায় নিঃসঙ্গতার আখ্যান, যেন কোনো বিরহী কারোর অপেক্ষায়

  • আ লো ক পা ত

    শ্রীনিকেতনের কালীমোহন ঘোষ

    অবিভক্ত বাংলায় ত্রিপুরা জেলার চাঁদপুর শহরের কাছে বাজাপ্তি গ্রামে জন্ম হয়েছিল এই ক্ষণজন্মা পুরুষটির। ১৮৮২ (মতান্তরে ১৮৮৪) সালে তাঁর জন্ম। গরিব ঘরে জন্ম, দারিদ্র ছিল চিরসঙ্গী, স্বাস্থ্যও ছিল খারাপ।

  • কা লে র মা ত্রা য়

    স্মৃতি ও সত্তায় বাঙালির সাধারণ রঙ্গালয়

    কলেজ জীবন থেকে পেশাদার থিয়েটার দেখার প্রচুর সুযোগ হয়েছে। বারবার একটা জিনিস খেয়াল করেছি যে, প্রতিটি পেশাদার মঞ্চে শ্রীরামকৃষ্ণের সমাধিস্থ ছবিটির উজ্জ্বল উপস্থিতি।

  • ক বি তা

    জরাজীর্ণ

    আমি আর কিছু লিখি না। মনে হয় না, আমার আর কিছু লেখার আছে।

  • ক বি তা

    সমবেত হৃদয়ের গান

    মন্দিরের সব দ্বার রুদ্ধ হয়ে আছে! কেউ নেই মন্দিরের আর ততো কাছে,

  • ক বি তা

    মাটি জল নতুন ঈশ্বর

    এ-কথা সবাই জানে, শত প্রতিরোধ ভেঙে অবশেষে বাগানে ঢুকেছি,

  • ক বি তা

    মায়ের নতুন সাজ

    আজ ভোরে উঁচু বেদি আলো করে বসা মা-কে দেখেছি আনন্দে একে অপরের সঙ্গে মৃদু কথাবার্তা হল শিশুর মতন

  • ক বি তা

    দক্ষিণেশ্বরে

    রামকৃষ্ণ বসে আছেন
    দক্ষিণেশ্বরে
    সন্ধ্যারাতের একটি পাখি
    ঢুকল তাঁর ঘরে
    বসল পাখি হাঁটুর

  • ক বি তা

    করুণা হে

    বেলা শুরুই হয়নি
    এখনই সে আনন্দ গান শোনাতে চায়
    আনন্দ গান হবে শেষবেলায়,

  • ক বি তা

    অনাদি

    নতুন হোটেল, পাশে পুরনো মন্দির—
    সামনে সমুদ্র, ওপরে আকাশ
    —কখনো নতুন নয়,

  • ক বি তা

    মো‌ক্ষ

    বাঁধন মজবুত করার জন্য শক্তহাতে গিঁট বেঁধেছিলাম। অবাক হয়ে ল‌ক্ষ্য করলাম স্বার্থ, অবিশ্বাস, ঘৃণা,

  • ক বি তা

    আদুরে পালক

    আমি অন্ধকারে পথ খুঁজতে থাকি তিনি এসে যখন দাঁড়ান

  • ক বি তা

    যে রাধা ফিরে আসেনি

    আসলে ঈশ্বরের বাসনা দিয়ে আদিখণ্ডের শুরু যেখানে দর্পণে নিজের রূপে মোহিত স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বাসুদেব

  • ক বি তা

    জীবন-মৃত্যু

    রাত্রির ভিতর কিছু ফুল ফুটে আছে, ফুল নাকি তারার পেখম এই অন্ধকার, ঘন যামিনীর; মেঘচ্ছায়া নয়।

  • ক বি তা

    গাছের শিকড়

    আরও অনেক কিছুর জন্যেই এখনও অপে‌ক্ষা রয়ে গেছে।

  • ক বি তা

    তোমার পায়ের ধুলো করো

    যখন ধুতির খুঁট দিয়ে তুমি মুছে দিতে পারো যাবতীয় কান্না আর গ্লানি আর মিথ্যে অভিযোগ

  • ক বি তা

    কবিতার কুচি

    পাখির ডানা অঢেল স্বপ্ন দেখায়, ভেঙে যায় বৃে‌ক্ষর মজ্জায় বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে

  • ক বি তা

    তোমাকে কবিতায়

    একটি কবিতা নির্মাণে ব্রতী হয়েছি যা হবে সত্য ও নিত্য। এদিকে তুমি বললে—

  • ক বি তা

    একক রঞ্জন

    প্রিয় সন্ধ্যায় লেখা হল ল‌ক্ষতারার সন্ন্যাস চিঠি ঠিকানাসব এক, সময় ও আঁধারে একক রঞ্জন

  • ক বি তা

    সেই স্বামীজীকে

    ধর্মের নামে গোঁড়ামিগুলোকে করে দিয়ে ছারখার

  • ক বি তা

    ধার্মিক

    একটা ছেলে ছোট্টবেলায় মুসলমানের তামাক খেলো, আমেরিকায় সহজ করে

  • ক বি তা

    বেলুড় মঠ

    মাথার উপর ছায়া মেলে যেন প্রাচীন বট—

  • ক বি তা

    ঘুমে লেখা

    যা নিয়ে কেউ কখনো ভাবেনি যা নিয়ে কেউ কখনো লেখেনি

  • ক বি তা

    ত্রাণ

    আমার ভেতর থেকে উঠে আসছে একটি নিঃশ্বাস। এখন ভীষণ কোন সত্য নেই। আশেপাশে ধ্বংসস্তূপ আছে

  • ক বি তা

    চুপ

    তোমার জন্য আসন পেতেছি ভুঁয়ে তোমার জন্য ঘণ্টা ঘড়ির সাজ

  • ক বি তা

    সংকেত

    মেঘ ও আঁধির মাঝে আলো হয়ে বসে আছে যে নির্ণয়

  • ক বি তা

    সেই মানুষটার কথা

    সে কারও হাত ধরে হাঁটতে চায়নি মানুষটা অশ্বারোহীও নয়, আপাদমস্তক

  • ক বি তা

    গ্রন্থজগৎ

    একটা দু’টো তিনটে নয়, শ’য়ে শ’য়ে বই, হাজার হাজার বই ল‌ক্ষ ল‌ক্ষ সাদা পৃষ্ঠা,

  • ক বি তা

    জেগে আছি শুকতারার দিকে চেয়ে

    এক আকাশ কালো তারার নিচে জেগে আছি শুকতারার দিকে চেয়ে

  • ক বি তা

    প্রত্যয়

    তোমরা যত ক্ষতির নেশায় মেতে উঠবে নাছোড় আমার জেদ তত দৃঢ় হবে

  • ক বি তা

    অমানী

    চাপাটি-ঘ্যাঁটের দম্ভ। চা-পাউরুটির দৃপ্ত অহংকার। দ্যাখো, দেখুন, দ্যাখ্ রে, নানা কিসিমেরই অ্যালকেমি ‘অস্মিতা’…

  • ক বি তা

    ছায়াসঙ্গী

    যেখানেই যাই, যে কাজই করি, মনে হয় তুমি যেন আমার ছায়াসঙ্গী, আমার পাশে পাশে আছো—

  • ক বি তা

    স্থাপন

    এই মুহূর্তটি চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। হাজার সমুদ্র কেটে নীলকান্ত মণি।

  • ক বি তা

    সরণি সন্ধান

    আলোর দারিদ্রে যা ঢাকা পড়ে গেছে খুঁজে পেতে চাই সেই সত্যের মহিমা।

  • ক বি তা

    ঘড়ি

    চোখের সামনে কত দৃশ্য বদলে যায়! পৃথিবীর একাকী দেহ…

  • পু জো র সে কা ল - এ কা ল

    বাঙালির শিবদুর্গা মঙ্গল

    শিব ও দুর্গার মতো বাঙালি আর কোনো দেবদেবীকে এতখানি আপন করে নেয়নি। এই দম্পতিকে প্রায় সর্বত্র স্থাপন করেছে। মন্দির করতে না পারলে কোনো বেলগাছের তলায় জায়গা দিয়েছে

  • পু জো র সে কা ল - এ কা ল

    ব্যতিক্রমী পারিবারিক দুর্গাপূজা

    শারদোৎসব বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। পূজার কয়েকদিন আমরা নতুন করে সেজে উঠি। আত্মীয়স্বজন যিনি যেখানেই থাকুন না কেন, এই পূজার সময় মিলিত হন একসাথে। তাই দুর্গোৎসব মিলনোৎসবও বটে

  • পু জো র সে কা ল - এ কা ল

    জঙ্গলমহলের আদিবাসী ও শারদোৎসব

    এতৎ অঞ্চলের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ঐতরেয় মহিদাস মহামুনি বিরচিত ‘ঐতরেয় আরণ্যক’-এ—

  • পু জো র সে কা ল - এ কা ল

    দুর্গাপূজা ও উৎসব অর্থনীতি

    ধর্ম-সংস্কৃতি ও অর্থনীতির যুগলবন্দি বহুকাল ধরেই বিদ্যমান। আরো সুস্পষ্টভাবে বললে বলা যেতে পারে যে, ধর্ম-সংস্কৃতি নানাভাবে অর্থনীতির গতিপথকে প্রভাবিত করে।

  • শা স্ত্র - স মা চা র

    অভিনবগুপ্তের শক্তিতত্ত্ব : একটি রূপরেখা

    অভিনবগুপ্তের অনেকগুলি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে দুটি আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, প্রথমটি হলো তাঁর জ্ঞানলিপ্সা আর দ্বিতীয় তাঁর মাতৃভক্তি।

  • শা স্ত্র - স মা চা র

    ধর্মস্য তত্ত্বং নিহিতং গুহায়াম্ : বক-যুধিষ্ঠির সংবাদ

    অরণ্যের গভীরে হারিয়ে গেল মৃগ। তপস্বী ব্রাহ্মণের পক্ষে মৃগ অন্বেষণ একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু দুরন্ত মৃগের বাঁকানো শিঙের মধ্যে বেকায়দায় ঝুলে আছে ঋষির অরণি আর মন্থ।

  • রূ প ও অ রূ প

    বাংলার ল‌ক্ষ্মীসরা

    সাধারণত সরার ওপর অঙ্কিত চিত্রকেই ‘সরাচিত্র’ বলা হয়। কোথাও কোথাও ‘সরাপট’ও বলে। সরার ওপর যে চিত্রাঙ্কন করা হয়, পটের অঙ্কনের সঙ্গে তার সাদৃশ্য থাকায় তাকে ‘সরাপট’ বলা হয়।

  • রূ প ও অ রূ প

    মায়ের গঙ্গা : আমোদর

    লোকমুখে জলের ধারাটির নাম ‘মায়ের গঙ্গা’। আসল নাম ‘আমোদর নদ’।

  • রূ প ও অ রূ প

    সুন্দরবনের খেয়া ও খেয়া সংস্কৃতি

    ছোটবেলায় খুব হিংসে হতো—আমার মনের কথাটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখে ফেলেছেন বলে। যদিও খেয়াঘাটের মাঝি হওয়ার স্বপ্ন আমার এখনো ভেঙে খানখান হয়ে যায়নি।

  • রূ প ও অ রূ প

    শিবের উপত্যকা তপোবন

    আমাদের কাহিনির শুরু গাড়োয়াল হিমালয়ের এক গহন উপত্যকায়। তখন শরতের শেষ, পাতাঝরার মরশুম আগতপ্রায়। ঝরে পড়ার আগে পাতারা শেষবারের মতো বাহারি রঙে সেজে উঠেছে।